মেনু নির্বাচন করুন
প্রদেয় সেবাসমূহ

মাজসেবা অধিদফতর সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন একটি প্রতিষ্ঠান। সমাজসেবা অধিদফতর দরিদ্রও দুঃস্থ মানুষের আস্থার ঠিকানা হিসেবে সৃষ্টিলগ্ন হতে জনবান্ধব কর্মসূচীপ্রবর্তন এবং বাস্তবায়ন করে আসছে। ১৯৬১ সালে সৃষ্ট এ অধিদফতর ১৯৭৪ সালেজাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর করস্পর্শে হয়ে উঠে এক অনন্যপ্রতিষ্ঠান। এ সময় সমাজসেবা অধিদফতরের মাধ্যমে প্রবর্তন করা হয় পল্লীসমাজসেবা কার্যক্রম, পল্লী মাতৃকেন্দ্র কার্যক্রম, সমন্বিত দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের শিক্ষা কার্যক্রম। তিনি প্রবর্তন করেন ঐতিহাসিক শিশু আইন, ১৯৭৪। পরবর্তীতেবঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনারমাধ্যমে সর্ব প্রথম বয়স্কভাতা তথা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচী শুরু হয়।তারই ধারাবাহিকতায় সমাজসেবা অধিদপ্ততর তথা উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, এর মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠী ও এসিডদগ্ধ মহিলা ও শারিরীকপ্রতিবন্ধীদের অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে সুদ মুক্ত ক্ষুদ্র ঋণ বিতরনকার্যক্রম ও সামাজিক নিরাপত্তা যেম    বয়স্কভাতা :বরাদ্ধ প্রাপ্তি সাপেক্ষে অসহায় ,গরীব ,ভূমিহীন ৬৫ বছরবয়স্ক যে কোন পুরুষ/মহিলা বয়স্ক ভাতার জন্য নির্ধারিত আবেদন ফরমে আবেদনকরতে পারেন ।ওয়ার্ড কমিটির মাধ্যমে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর উপজেলা বয়স্কভাতা বাস্তবায়ন কমিটির  মাধ্যমে চূড়ান্ত অনুমোদনের পর ব্যাংক একাউন্টেরমাধ্যমে ভাতা পেয়ে থাকে ।

    অসচ্ছল প্রবিন্ধী ভাতা :যে কোন অসচ্ছল,অসহায়্দরিদ্র, ভূমিহীনপ্রতিবন্ধীব্যক্তি এই ভাতার জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে পারবে । বরাদ্ধসাপেক্ষে অথবা প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে উপজেলা  বাস্তবায়ন কমিটির  মাধ্যমে চূড়ান্ত অনুমোদনের পর ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে ভাতা পেয়ে থাকে ।

    বিধবা ভাতা :যে কোন অসচ্ছল,অসহায় দরিদ্র, ভূমিহীন বিধবা ও স্বামী পরিত্যাক্তা মহিলা এই ভাতার জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে পারবে।

 বরাদ্ধ সাপেক্ষে অথবা প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে উপজেলা  বাস্তবায়ন কমিটির  মাধ্যমে চূড়ান্ত অনুমোদনের পর ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে ভাতা পেয়ে থাকে ।

      প্রতিবন্ধী উপবৃত্তি : প্রাথমিক স্তর১ম শ্রেনী হতে ৫ম শ্রেনীপর্যন্ত,মাধ্যমিক স্তর: ৬ষ্ঠশ্রেণী হতে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত,ও উচ্চতর স্তরেএই ভাতা প্রদান করা হয়ে থাকে ।

      উপজেলা সমাজ কল্যাণ পরিষদ : সমাজসেবা অধিদফতর কর্তৃক নিবন্ধিত সেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানগুলোকে উপজেলা সমাজ কল্যাণ পরিষদের মাধ্যমে অনুদান প্রদান করা হয়ে থাকে । 

      উপজেলা রোগী কল্যাণ সমিতি:যে কোনঅসচ্ছল,অসহায় ,দরিদ্র ভূমিহীন  উপজেলা হাসপাতালের রোগীদেরকে হাসপাতালেরচিকিৎসকের সুপারিশক্রমে নিধারিত আবেদন ফরমে আবেদন করলে উপজেলা রোগী কল্যাণ সমিতির মাধ্যমে সহযোগীতা করা হয় ।

প্রথম ধাপ

সরকারের বরাদ্দ ঘোষণা

দুঃস্থও বয়ষ্ক মানুষদের আর্থিক ভাবে সহায়তা করার জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশসরকারের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় হতে জেলা ভিত্তিক অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়।শহর সমাজ সেবা অফিস হতে উপ বরাদ্দ পত্রের মাধ্যমে পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদকেবিষয়টি অবহিত করা হয়। এই পত্রের মাধ্যমে কতজনকে বয়ষ্ক ভাতা দেয়া হবে তাউল্লেখ থাকে। 

 

দ্বিতীয় ধাপ

দুঃস্থ মানুষদের তালিকা প্রস্তুত

উপবরাদ্দের চিঠি পাওয়ার পর মেয়র মহোদয় এ বিষয়ে একটি বিশেষ সভা আহবানকরেন। সভায় জনপ্রতিনিধিদের কোটা নির্ধারন করা হয়। নির্ধারিত কোটাঅনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জনপ্রতিনিধিগনকে তাদের নিজ নিজ এলাকারবয়ষ্ক ভাতা পাওয়ার উপযোগী মানুষের তালিকা দিতে বলা হয়। জনপ্রতিনিধিগনতাদের নিজ নিজ এলাকার এরকম মানুষদের চিহ্নিত ও তালিকা প্রস্তুত করেনির্ধারিত দিনের মধ্যে ডেসপাসে জমা দেন।

 

তৃতীয় ধাপ

তালিকা চুড়ান্তকরণ

সম্পুর্ণতালিকা পাওয়ার পর প্রতিটি ওয়ার্ড কমিটির সভা আহবান করা হয়। সংশ্লিষ্টওয়ার্ড কাউন্সিলরকে সভাপতি করে ৫ / ৭ সদস্য বিশিষ্ট ওয়ার্ড কমিটিগঠিত হয়। সভায় যাঁচাই- বাছাই সম্পন্ন হওয়ার পর তালিকা চুড়ান্ত করা হয়।এরপর, তালিকাটিশহর সমাজ সেবা অফিসে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

এছাড়া এলাকার উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন কালর্ভাট নির্মাণ। ড্রেন নির্মান রাস্তা সংস্কার  ইত্যাদি।

/

Share with :

Facebook Twitter